ব্যবসায়ীকে ফাঁসাতে নিয়ে বিপাকে পুলিশ কর্তা, জনগণের কাছেই গণধোলাই

সাধারণ মানুষকে ফাঁসাতে গিয়ে এবার ফেঁসে গেলেন পুলিশের এএসআই। অবশেষে জনগণের কাছেই গণধোলাই খেলেন পুলিশ কর্তা। জানা গেছে, গত বুধবার সকাল ১১ টায় নারায়ণগঞ্জের কালীরবাজারে নওয়ার প্লাজায় ‘মা তাঁরা স্বর্ণালয়’-এ যায় লিটন।
তিনি স্বর্ণের একটি ছেড়া চেইন বিক্রি করতে চান। কিন্তু দোকান মালিক পাণ্ডব রায় তা কিনতে রাজি হননি। এসময় লিটন চেইনটি রেখে তাকে দুই হাজার টাকা দেয়ার জন্য পাণ্ডব রায়কে চাপ দিতে থাকে।
এতেও পাণ্ডব রায় রাজি না হওয়ায় দোকানের বাইরে এলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা পুলিশের অপর সোর্স ইকবাল ও নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এএসআই আশরাফ হোসেন মিলে লিটনকে আটক করে। এসময় চোরাই স্বর্ণ কেনার অভিযোগে পাণ্ডব রায়কেও আটক করেন এএসআই আশরাফ।
এই ঘটনা বাজারে ছড়িয়ে পড়লে কালীরবাজারের বিক্ষুব্ধ স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা পুলিশের এএসআই আশরাফসহ তার দুই সোর্স লিটন ও ইকবালকে ঘিরে ফেলে। একপর্যায়ে উত্তেজিত ব্যবসায়ীরা তাদের গণপিটুনি দেয়।
খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মালেকসহ অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাদের উদ্ধার করেন।
বাজারের আরেক স্বর্ণ ব্যবসায়ী সাজন কর্মকার বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে শুক্রবার রাতে আমার মামা তপন কর্মকারকে একই অভিযোগে প্রথমে হয়রানি করে। পরবর্তীতে দোকানে অভিযানের নামে প্রায় ৮০ ভরি স্বর্ণ জব্দ করে নিয়ে যায়। তিনি এখনো
জেলখানায় আটক রয়েছেন। এভাবে ডিবি পুলিশের লোকজন স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের হয়রানি করছে। কিছু হলেই স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
ওসি আবদুল মালেক জানান, ‘এএসআই আশরাফকে তাৎক্ষণিক আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া থানায় বদলী করা হয়েছে। লিটন ও ইকবালকে থানায় আটক করা হয়েছে। দুইজনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

Open