যেভাবে ফাঁদে ফেলে বিক্রি করা হচ্ছে মেয়েদের

মানুষ বিক্রি হয়ে যায় নিজের অজান্তে .. একবার ফাদে পরে তারপর আর খুজে পাওয়া যায়না । ঢাকার আশে পাশের এলাকাসহ দেশের নানা আনাছে কানাছে গড়ে উঠেছে নানান অপরাধ পরিক্মামা । না দেখলে বিশ্বাস করবেন না কিভাবে নিজের অজান্তে বিক্রি হয়ে যায়।
কখনোবা প্রমের ফাঁদে ফেলে আবার কখনোবা ভাল কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলা হয় এই সব সহজ সরল মেয়েদের। আর এই নেটওয়ার্কের ফাঁদে বেশি পড়ছে মফস্বলে কলেজপড়ুয়া ও গ্রামের উঠতি বয়সী মেয়েরা। প্রতি নারীর জন্য দেয়া হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। পরে ওই নারীদের ভারতের মুম্বাই, হায়দারাবাদ ও কলকাতার বিভিন্ন নিষিদ্ধ পল্লী এবং আবাসিক হোটেলে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা করানো হচ্ছে। আবার কোনো কোনো নারীকে বিত্তশালী ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, নারী পাচারকারীরা বেশ কয়েকটি অভিনব কৌশল নিয়েছে। এর মধ্যে প্রেমের ফাঁদ ফেলে নারী পাচারকারীরা টার্গেট করছে মফস্বল কলেজের ছাত্রীদের। সীমান্তবর্তী উপজেলার কলেজ ছাত্রীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ভারতে বেশি পাচার করা হচ্ছে। মানব পাচারের বিরুদ্ধে কাজ করা একাধিক সংস্থার কর্মকর্তা জানান, নারী পাচারকারী চক্র এখন লেখাপড়া না জানা বস্তিবাসী কিংবা স্বল্পশিক্ষিত পোশাক কর্মীদের পরিবর্তে টার্গেট করছে মফস্বলের অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্রীদের। প্রথমে পাচারকারীরা কোনো এক ছাত্রীকে টার্গেট করে। পরে তাদের নিয়োগকৃত তরুণ বা যুবকেরা সেই টার্গেটের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। ছাত্রীর কথিত প্রেমিক এ সময় তার পেছনে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে। গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে তারা টার্গেটকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে আনে। পরে পাচারকারী মূল চক্রের হাতে তুলে দেয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open