পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে, ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় উল্টো স্বামীকে শাঁসালো যেভাবে

মাদক, যৌতুক, ইভ টিজিং, বাল্যবিয়ে, ধর্ষণ ও এসিড সন্ত্রাসের মতো পরকীয়া সম্পর্ক বর্তমানে একটি সামাজিক ব্যাধি হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, থাইল্যান্ডের পূর্ণ বয়স্ক মানুষদের মধ্যে শতকরা ৫৬ জনই পরকীয়ায় যুক্ত।
এই পরকীয়াসন্ত্রাসকে নিয়েও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার; প্রচার মাধ্যমগুলোতে পরকীয়ার কু-ফল সম্পর্কে বিশেষ প্রতিবেদন ও ধর্মীয় অনুশাসনকে জাগ্রত করার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সমাজবিঞ্জানীরা। কারণ এ ভয়াবহ সামাজিক অবৰয় রোধ করা সম্ভব না হলে ব্যক্তিক সঙ্কট ও শূন্যতা দেখা দেবে এবং পরিবার ভেঙে যাবে। যার আলামত তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে।
দেশের সর্বত্র নৈতিকতার এক মহাসর্বনাশ ঘটিয়ে এই পরকীয়া সামাজিক ব্যাধিটি পারমাণবিক বোমা তথা ক্যান্সারের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ব্যক্তি-পরিবার-সমাজ ও জাতীয় জীবনেও। সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে এক পরকীয়া প্রেমিক যুগলের ভিডিও। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পরস্ত্রী পালিয়ে যাবার পর উল্টা স্বামীকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে।
ভিডিওতে বলা হচ্ছে যদি ২৪ ঘন্টার মধ্যে কেস তুলে না নেওয়া হয়, তাহলে স্বামী সহ স্বামীর পরিবারের সবার নামে নারী নির্যাতন মামলা করা হবে। মেয়েটি কি আদৌও শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের স্বীকার হতেন কিনা , সে ব্যাপারে নিশ্চিৎ হওয়া যায়নি, নাকি উল্টা স্বামীকে ফাঁসাতেই এব্যবস্হা তা কেবল প্রকৃত তদণ্তের মাধ্যমেই বেরিয়ে আসবে। যেটুকু জান যায়, মেয়েটির ২ বছরের একটি শিশু কন্যা ও রয়েছে।যাকে ফেলে রেখেই পালিয়ে এসেছে মেয়েটি।
ঘটনা যাই হোক না কেন, এধরণের ভিডিও পরকীয়া নামক সংক্রামকটিকে আরো বেশি উসকে দিবে, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর নারী নির্যাতন আইনের কেউ যেন অপব্যবহারও না করতে পারে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষেরও সচেতন হওয়া বাঞ্চনীয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open