‘শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সবাই পাকিস্তানপন্থী সুবিধাভোগী ছিলেন’

যারা পাকিস্তানের বেতন খাইলো, ভাতা খাইলো তারা হয়ে গেলো মুক্তিযোদ্ধা, আর যারা পালায়া বেড়াইলো, না খায়া বেড়াইলো তারা হইয়া গেলো রাজাকার। তাই না? এই যে বিষযগুলি এগুলো কিন্তু পরিষ্কার করা দরকার। কারণ এই বিষয়গুলি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হলে চলে না- বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এমন বক্তব্যের পর দেশে বিদেশে আলোচনার ঝড় উঠেছে।
এসময় তিনি বলেন, যারা পাকিস্তানের বেতন-ভাতা খাইসে শেষ দিন পর্যন্ত, তারা নির্বোধের মতো মারা গেলো। আর আমাদের মতো নির্বোধরা তাদের শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে ফুল দেই প্রতি বছর। না গেলেও আবার পাপ হয়।
তিনি আরও বলেন, উনারা যদি এতো বুদ্ধিমানই হয়ে থাকবেন তাহলে, ১৪ তারিখ (১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে থাকেন কি জন্যে নিজের ঘরে? একটু বলেনতো আমারে? আর তাদের যারা স্ব স্ব কর্মস্থলে প্রতিমাসে বেতন তুললো, পাকিস্তানের বেতন খাইলো, এইটা নিয়াওতো কথা বলা যায়, যায় কিনা?
গয়েশ্বর বলতে থাকেন, হ্যাঁ নেতৃত্বের অজ্ঞতার কারণে, আগাম সতর্কতার অভাবে ২৫ মার্চ যারা মারা গেছে, আত্মাহুতি দিসে, তারা না জানার কারণে। কিন্তু চৌদ্দই ডিসেম্বর যারা মারা গেছে তারাতো অজ্ঞাত কারণে মারা যায় নাই। তারা জ্ঞাতসারেই বাড়িতে ছিল। তারা প্রতিদিনই তো যে যেখানে কর্মস্থল ছিল সেখানে যাইতো।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এমন বক্তব্যের পর আরো একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলেছে। যেখানে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বুদ্ধিজীবী হত্যা নিয়ে বেশ খোলামেলা বক্তব্য দেন।বঙ্গবীর সিদ্দিকী বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সবাই পাকিস্তানপন্থী সুবিধাভোগী ছিলেন। শুধু বেতন-ভাতার জন্য তারা পালিয়ে যাননি, বরং ঢাকায় অবস্থান করেছেন এবং এ কারণেই তারা মৃত্যুবরণ করেছেন। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করা হয় বলে উল্লেখ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হবে এইটুকু বোঝার ক্ষমতা ওই বুদ্ধিজীবীদের ছিল না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open