ঋণের টাকা পরিশোধ করতে নোয়াখালীতে সন্তান বিক্রি

সুদিনের আসায় ঋণ নিয়েছিলেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের অনেক পরিবার। কিন্তু সময়মতো ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। তাই ঋণের টাকা পরিশোধ করতে সন্তান বিক্রিরমত ঘটনা ঘটেছে। সচ্ছলতা দূরে থাক এসব বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে অনেক পরিবারই এখন সর্বশান্ত।
কোলের সন্তানকে বিক্রি করে পাগল প্রায় নোয়াখালীর জেসমিন আক্তার। ঋণের কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে দিতে হয়েছে এমন চড়া মাশুল। তার মত আরও অনেক সন্তান বিক্রি করে ঋণের কিস্তির টাকা পরিশোধ করেছেন।
সন্তান বিক্রি করা জেসমিন আক্তার বলেন, ‘কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়ে আমার বাচ্চাকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিছি’।
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন ঋণ নিয়ে কোন উপকার হয়নি এসব পরিবারের, শুধুই বেড়েছে ঋণের বোঝা।
গ্রামের এক বাসিন্ধা বলেন, ‘কিস্তি নিয়ে কেউ দাঁড়াইছে এমন নজির নেই। বরং ঘরের মহিলাদের রাস্তায় নাানোর জন্য চেষ্টা চলছে। কিস্তির দিন আসলে সব মহিলারা রাস্তায় চলে আসে, কারো হাতে ধরতেছে, কারো পায় ধরতেছে’।
জানা যায় কোম্পানীগঞ্জের নদী ভাঙ্গণ কবলিত এসব অসহায় দরিদ্র মানুষ ভাগ্য ফেরাতে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। সচ্ছলতার পরিবর্তে সর্বশান্ত হয়ে পরেছেন তারা। অনেকে বসতভিটা বিক্রি করে ঘুরছেন পফে পথে। পথে পথে ঘুরছেন এমন পরিবারের সংখ্যাও কম নয়।
ব্যুরো বাংলাদেশের সহকারী কর্মসূচী সংগঠক ইমাম হোসেন বলেন, ‘কিস্তি দিতে না পারলে তারা সময় চায় অনেক সময় তাদের সময় দেয়া হয়। যেহেতু তারা দরিদ্র জনগোষ্ঠী’।
সর্বশান্ত ৩শ’ পরিবারের দাবি ঋণ মুক্ত করে ফিরিয়ে দেয়া হোক তাদের স্বাভাবিক জীবন। সূত্র: যমুনা টিভি.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open