সিলেটি-ননসিলেটি বিভাজন প্রমোট করছেন গাফফার চৌধুরী

ক’দিন আগেও এমন একটা সময় ছিলো যখন আবদুল গাফফার চৌধুরীর মতো ‘ট্রেডমার্কড’ গুণীজনকে সম্মান জানাতে বিশেষ কোন দল বা মতের অনুসারী হবার প্রয়োজন হতো না। “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী”– এই একটিমাত্র গান লিখেই যিনি হয়েছিলেন বিখ্যাত, গঠনমূলক সমালোচনাধর্মী কলাম হাতখুলে লিখে যিনি ছিলেন দেশে-বিদেশে প্রবল জনপ্রিয়, বছর খানেক ধরে কী এমন জটিল-কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেন তিনি ! ‘না ফেরার দেশে’ চলে যাবার আগে কেন তিনি বারেবারে ‘নায়ক থেকে ভিলেন’ রূপে আবির্ভূত হচ্ছেন, তা বোধগম্য হচ্ছেনা বিলেতে তাঁর কাছের মানুষদের কাছেই।
আবদুল গাফফার চৌধুরীর বয়স হয়েছে সন্দেহ নেই। যেহেতু প্রবাসে থাকেন যুগ যুগ ধরে, তাই একটু যত্নবান হলেই পারতেন জীবনের শেষবেলায় শেষদিনগুলি প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত থেকে সসম্মানে কাটিয়ে দিতে, এমন আক্ষেপ তাঁরই ভক্ত-অনুরাগীদের। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, বয়সের ভারে হোক আর অজানা কোন অতৃপ্তি থেকে হোক, মাইক্রোফোন পেলেই আজকাল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন তিনি। লাগামহীন উল্টাপাল্টা উদ্ভট অযৌক্তিক অপ্রাসঙ্গিক আজগুবি এমনকি আত্মঘাতী কথাবার্তা বলছেন বাংলালিংক দামে। নন-প্রোডাক্টিভ সব বেহুদা বাক্যব্যয় করে আবার পরক্ষণেই হয় ‘আংশিক অস্বীকার’ করছেন না হয় বলছেন “আমার বক্তব্যের অপব্যাখা করেছে অপশক্তি”।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Open